WOW!

Thursday, August 13, 2015

৫ টি পদ্ধতির মাধ্যমে আপনার ইউটিউব ভিডিও কে নিয়ে আসুন রাঙ্কিং এ

ইউটিউব এর হাজারো ভিডিও এর মধ্যে ৫ টি পদ্ধতির মাধ্যমে আপনার ভিডিও কে নিয়ে আসুন রাঙ্কিং এ। প্রতি মিনিটে ১০০ ঘন্টার বেশি ভিডিও আপলোড  হয় ইউটিউব এ।তাই আপনার ভিডিও কে রাঙ্কিং এ নিয়ে আসতে আজই করে ফেলুন SEO। নিচের ৫ টি পদ্ধতির মাধ্যমে। নিচে তার বর্ণনা করা হল-

১. Super-Long Video Descriptions :

ইউটিউব এবং গুগল ভিডিও দেখতে পারে না বুঝতেও পারে না । সে জন্য ইউটিউব কে ভিডিওর বর্ণনার উপর নির্ভর করে ভিডিও কে বুঝতে হয় । ইউটিউব ভিডিও সম্পর্কে যত ভাল বুঝতে পারবে, জানতে পারবে ততই সহজে রাঙ্ক করতে পারবে।
ইউটিউব super-long tail কীওয়ার্ড কে রাঙ্কে র জন্য ব্যাবহার করে। যেমন কেউ যদি “Seo strategy” কীওয়ার্ড  হিসেবে ব্যাবহার করে আরেকজন “Infographic Seo Strategy” কে কীওয়ার্ড  হিসেবে ব্যাবহার করে এবং description এ ব্যাবহার করে তাহলে “ Infographic Seo Strategy” তারাতারি রাঙ্ক হবে । উদাহরন হিসেবে : এই “SEO Strategy 2014: How to Rank in Google Today” কীওয়ার্ড এ এই description ।
33
তাই অবশ্যই ভিডিও description বা বর্ণনা লিখতে হবে এবং description বা বর্ণনা তে কীওয়ার্ড উল্লেখ করতে হবে ।
** অন্তত ২০০ শব্দের ভিডিও description লিখতে হবে।

2.  “Video Keywords” ব্যাবহার করা :

ইউটিউব – এ  রাঙ্কিং করা ভাল তবে ইউটিউব এবং গুগল উভয়ই এ রাঙ্কিং করতে পারলে সেটা অনেক ভাল।আপনারা যখন গুগল সার্চ দেন মাঝে মাঝে কিছু ভিডিও দেখায় আবার দেখায় না।যখন কোন কীওয়ার্ড দিয়ে ভিডিও দেখায় সেই গুলি কিছু নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড । সেই কীওয়ার্ড কে বলা হয় “Video Keywords”.  যেমন এখানে cute cats এবং ankle sprain এর মধ্যে  cute cats ভিডিও কীওয়ার্ড ।
cat
** ভিডিওর জন্য কোন কীওয়ার্ড নির্বাচন করার আগে সেই কীওয়ার্ড দিয়ে গুগল সার্চ করুন। যদি সার্চ result এ ভিডিও দেখতে পান তখন সেই কীওয়ার্ড কে বিশেষ গুরত্ব দিন।

৩. Online communities থেকে ভিডিও views বাড়ানো  :

online communities যেমন Quora এবং Linkedln ইত্যাদি ভিডিও views বাড়ানোর জন্য অন্যতম মাধ্যম।মানুষ সাধারণত কোন লিঙ্ক এ ক্লিক করতে চায় না। কিন্ত অন্য কেউ শেয়ার করা  ভিডিও দেখে।তাই এই সাইট গুলিতে ভিডিও শেয়ার করলে তাদের ভাল লাগলে তারা শেয়ার করে। ভিডিওর সাথে সম্পর্কিত  ব্যক্তিদের মাঝে শেয়ার করলে সেটা অনেক ভাল। ভিডিও সম্পর্কিত  বাক্তি দ্বারা  views বারলে এবং ভিডিওর কোয়ালিটি ভাল হলে ইউটিউব সেটাকে আগে রাঙ্কিং  করে।
** অর্থাৎ ভিডিও কে online communities তে শেয়ার করুন যাতে related views বারে যা ইউটিউব রাঙ্কিং এ সাহায্য  করে তবে  অবশ্যই ভাল কোয়ালিটির ভিডিও হতে হবে।

৪. Subscribing and Liking এর জন্য আহ্বান করা:

ইউটিউব এলগরিদম এ কোন  backlinks ব্যাবহার করে না। যা ব্যাবহার করে তা হল user experience বা যারা ভিডিও দেখে তাদের অবিজ্ঞতা।
Subscribing and Liking ইউটিউব এর জন্য সবচেয়ে গুরত্বপুর্ন বিষয়। যখন কেউ ভিডিও দেখার পর  সাবস্ক্রাইব করে এত করে ইউটিউব মনে করে সেই ভিডিও টা খুবি প্রয়োজনীয় এবং সবার পছন্দ করার মতা একটা ভিডিও। ভিডিও লাইক অপেক্ষাকৃত কম গুরত্বপুর্ন  কিন্তু এটাও ইউটিউব  গননা করে।আপনি এই কাজ গুলি করতে পারেন ভিডিও তে সাবস্ক্রাইব এবং লাইক আহ্বান করার মধমে। ভিডিও র শেষ দিকে সাবস্ক্রাইব এর আহ্বান করতে পারেন।
** অর্থাৎ মানুষ কে ভিডিও তে  সাবস্ক্রাইব, লাইক, কমেন্ট করার জন্য আহ্বান করুন।

 ৫.Keyword-Rich Playlists তৈরি করা :

ইউটিউব এ ট্রাফিক বৃদ্ধি করার একটি অন্যতম সহজ পদ্ধতি হল ইউটিউব এর ভিডিও Playlists কে সুন্দর ভাবে সাজানো।কারন সুন্দর ভাবে সাজানো থাকলে একটা ভিডিও দেখার পর আরেকটা ভিডিও দেখার প্রতি আগ্রহ জাগে।
** অর্থাৎ ভিডিও Playlists কে সুন্দর ভাবে সাজাতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর যে ১০ টি বিষয় আপনার জেনে রাখা উচিত

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে খুব সহজেই কোন বিষয়বস্তুকে(পণ্য) মানুষের দারপ্রান্তে পৌঁছানো সম্ভব।এর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কে অবশ্যই পরিমিত জ্ঞান থাকা বাঞ্ছনীয়।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এ সফল হতে হলে অবশ্যই এই ১০ টি বিষয় জেনে রাখা উচিত


১. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এ সফলতা অর্জন করতে হলে প্রথম যে বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেয়া উচিত তা  হল সোশ্যাল মিডিয়া তে যারা বিচরন করে তাদের সম্পর্কে জানা, তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করা, তাদের প্রয়োজনের সময় সাহায্য করা, এর ফলে তারা কিসের প্রতি আগ্রহী এবং কি চায় সে  সম্পর্কে অবগত হওয়া যায়।

২. আমরা যখন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করি তখন মনে করি যে যতগুলো সোশ্যাল মিডিয়া আছে সবগুলোতে পোস্ট করলে লাভ বেশি হবে। কিন্তু বাস্তবে এতে সময় এবং শ্রম দুই নষ্ট হবে। সুতরাং Targeted Audience এর কাছে পৌঁছানোর জন্য Targeted Social Media নির্বাচন করতে হবে।

৩. মার্কেটিং ক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরি হলো Targeted Audience. অর্থাৎ আপনার বিজ্ঞাপনটি এমন জায়গায় উপস্থাপন করা প্রয়োজন যেখানে আপনার Targeted Audience রয়েছে যারা আপনার বিষয় সম্পর্কে আগ্রহী হবে এবং অন্যকে জানাবে।

৪. আলোকে বোতলের মধ্যে ধরে রাখা সম্ভব হলেও, সোশ্যাল মিডিয়াতে রাতারাতি সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। এর জন্য ধৈর্য ধরে কাজ করে যেতে হবে।

৫. সোশ্যাল মিডিয়াতে কোন বিষয় উপস্থাপনের একমাত্র উদ্দেশ্য হল ঐ বিষয় সম্পর্কে সকলকে অবগত করা। আর তা যত মানুষের পৌঁছানো যাবে ততই লাভ। সকলের কাছে পৌঁছাতে হলে বিষয়টি আকর্ষণীয় ভাবে উপস্থাপন করতে হবে যাতে তারা তাদের audiences এর সাথে বিষয়টি শেয়ার করে।

৬. সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিং এর জন্য সোশ্যাল মিডিয়াতে যারা প্রভাবশালী তাদের খুজে বের করে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে হবে এবং সেই সাথে আপনা পন্যের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে তাহলে সে আপনার উপস্থাপিত বিষয় তার Audiences এর সাথে শেয়ার করবে। এর ফলে প্রতিনিয়ত প্রচুর পরিমাণে নতুন গ্রাহক পাওয়া যাবে।

৭. আমরা যদি সব সময় খালি পন্যের Promotion করতে থাকি তাহলে মানুষ ধীরে ধীরে ignore শুরু করবে। সে জন্য সবার সাথে Connected থাকতে হলে অবশই তাদের সাথে কথা বলতে হবে এবং আকর্ষণীয় বিষয়সমূহ শেয়ার করতে হবে।

৮.সোশ্যাল মিডিয়ায় কাউকে অবহেলা করা যাবে না, সবার সাথে মিলেমিশে থাকার চেষ্টা করতে হবে। সকলের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে। কেউ আপনার কাছে কোন কিছু জানতে চাইলে তাকে অবহেলা না করে তার সমস্যা সমাধান করে দেওয়ার চেষ্টা করুন। এতে আপনার সম্পর্কে তার ভালো ধারনা জন্মাবে, যা আপনার ভবিষ্যতে দিগুনাকারে ফলপ্রসূ হবে।

৯. সোশ্যাল মিডিয়াতে সফল ভাবে কাজ করতে হলে এর পিছনে সময় ব্যয় করতে হবে। আপনি কোনো বিষয় শেয়ার করে হারিয়ে গেলে হবে না সেখানে Viewer দের সাথে conversation এ যোগ দিতে হবে তাহলে তাদের সাথে একসময় ভালো সম্পর্ক তৈরী হবে যা ভবিষ্যতে আপনার সফলতার চাবি হয়ে দাঁড়াবে। সুতরাং ধারাবাহিক ভাবে বিভিন্ন বিষয় সমূহ শেয়ার করতে হবে এবং সকলের সাথে কথা বলতে হবে।

১০. সব শেষে আপনি কখনই আশা করতে পারেন না যে আপনি কোনো কিছু উপস্থাপন করবেন আর সকলেই তা নিজেদের বন্ধুদের শেয়ার করবে। এর জন্য আপনাকে অন্যের উপস্থাপিত বিষয় সম্পর্কে সবাইকে জানাতে হবে। অর্থাৎ পারস্পারিক মার্কেটিঙের  মাধ্যমে নিজের মার্কেটিং করতে হবে। তবে এতে কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে।

Tuesday, June 9, 2015

ধৈর্য্য আর কত পরিশ্রমের বিনিময়ে আজ ৫০০০+ ঘণ্টা

২১ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে ওডেস্কে (আপওয়ার্ক) একাউন্ট করেছিলাম। তারপর কত রাত জাগা, কত ধৈর্য্য আর কত পরিশ্রমের বিনিময়ে আজ ৫০০০+ ঘণ্টা কাজ করা একটা সফল প্রোফাইল তৈরিতে সমর্থ হয়েছি। এখনো মনে আছে, ১০০% প্রোফাইল বানাতে আমার কয়েকদিন লেগেছিল। ওডেস্ক রেডিনেস টেস্ট দেয়ার জন্য একজনের পিছনে আমাকে কয়েকদিন ঘুরতে হয়েছিল। সারাটা রাত জেগে জেগে অ্যাপ্লাই করতাম, ক্লাইন্টের রিপ্লাইয়ের প্রতীক্ষায় থাকতে থাকতে কখন সকাল হত বুঝতেই পারতাম না। ডেক্লাইন নোটিফিকেশন আমাকে জর্জরিত করেছিল। অবশেষে ৪.৫ ডলারের প্রথম কাজ যা শেষ করতে আমার ৩ দিন লেগেছিল। দীর্ঘ্য ৪ মাস পর প্রথম উইথড্রো (৮৬ ডলার)। কিন্তু কখনো নিরাশ হই নি। সর্বদা সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌’র উপর ভরসা রাখতাম। মনের ভিতর প্রবল বিশ্বাস ছিল আমি সফল হবই। সবথেকে বড় সাপোর্ট পেয়েছি টিউশনি আর বৃত্তির জমানো টাকায় কেনা আমার ল্যাপটপ’টার কাছ থেকে।
কুয়েট থেকে বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী নিয়ে প্রথম শ্রেণীর একটা সরকারী চাকুরীতে কর্তব্যরত থাকলেও অবসর সময়ে ফ্রিল্যান্সিংটা চালিয়ে যাচ্ছি। জব আর ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে এখন অনেক সুখেই আছি। ফ্রিল্যান্সিং এ নতুনদের উদ্দেশ্যে বলছি, আপনারা সাধ্যমত পরিশ্রম করতে থাকুন সফলতা আসবেই। Atiqur Rahman Atique

অনলাইন আর্ন সম্পর্কে বিস্তারিত

আমি  এই ব্লোগ এ আমার অনলাইন আর্ন সম্পর্কে বিস্তারিত লিখব এবং নতুনদের জন্য নতুন টিপস দিব যাতে সে অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে পারে , ফ্রি ট্রেনিং , ফ্রি ভিডিও , ফ্রি গাইড লাইন এবং সবসময় পরামর্শ দিব। আমার সাথে যোগাযোগ এর জন্য ফেইসবুক পেজ এ লাইক , Twitter  এ ফলো , Google+ ফলো , Linkedin ফলো , Pinterst ফলো , Youtube সাবস্ক্রাইব করে রাখেন  আজই

https://www.upwork.com/users/~01b8e162ba287aed9d

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

 
Free Web Hosting